আজ - শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০১৭ | ২৯ মুহররম ১৪৩৯

ব্রেকিং নিউজ

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বশেষ নিউজ

সর্বশেষ সংবাদ

ব্রেকিং নিউজ

সর্বশেষ সংবাদ

সকল সংবাদ

বিনোদন

বিনোদন ডেস্ক, ঢাকা : ১৯৪২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জন্মগ্রহন করেন বিশ্ববিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার কেলভিন ক্লেইন। ১৯৬৮ সালে নিজ নামে ফ্যাশন হাউজ চালু করেন তিনি। পোশাকের পাশাপাশি পারফিউম, ঘড়ি ও জুয়েলারির জন্যও বিখ্যাত ব্র্যান্ডের নাম হচ্ছে কেলভিন ক্লেইন। ৪৮ বছর ধরে নিজের ব্র্যান্ডের জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছেন ব্যক্তি কেলভিন ক্লেইন। ‘দ্য টকস’ ওয়েবসাইটে এবছরের মে মাসে প্রকাশিত হয় আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফ্যাশন ডিজাইনারের সাক্ষাৎকার। প্রিয় ফ্যাশনের পাঠকের জন্য সম্পূর্ণ সাক্ষাৎকারটি অনুবাদ করে দেয়া হল।

আপনি কি মনে করেন ফ্যাশনের মধ্যে এখনও উদ্ভাবন সম্ভব?

কেলভিন ক্লেইন: আমি মনে করি ফ্যাশন সবসময় অগ্রগতির দিকে যাচ্ছে। এটা ধারাবাহিকতা বজায় রাখছে এবং সবসময় এটা নতুন। এটা পরিবর্তন হয়, কিন্তু এর মধ্যে উদ্ভাবনের কিছু নেই। সবকিছুই এখানে কোন না কোনভাবে সম্ভব। এবং অনেক ডিজাইনার আছেন যারা অনেক আগের দিনের ফ্যাশন থেকে অনুপ্রাণিত। তবে আমি মনে করি শেষ কয়েক দশকে ফ্যাশনে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে।

সেটা কীভাবে?

কেলভিন ক্লেইন: আমাদের কাছে এখন জারা, এইচ এন্ড এম এবং ইউনিকলোর পোশাকগুলো আছে যেটা ১৫ বছর আগে ছিল না। এই স্টোরগুলোতে এখন অনেক সুন্দর ডিজাইনের অসাধারণ আইটেম পাওয়া যায়। এগুলো বেশ ম্যূল্যবান।

এটা কি কোন ইতিবাচক উন্নয়ন?

কেলভিন ক্লেইন: আমি এটাকে ইতিবাচক উন্নয়নই মনে করি! আমি মনে করি এটা মানুষের পছন্দের মূল্য দিয়েছে। এটা হয়তো তাদের মূল ডিজাইন হবে না, কিন্তু এতে তারা অনেক তাৎপর্য এবং স্টাইল যোগ করতে পারে! এবং প্রতিনিয়ত তারা মার্কেটে নতুন নতুন আইটেম নিয়ে আসছে। এজন্য যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ইউরোপ এগিয়ে আছে, কারণ আমরা এখন রিটেইলারদের কাছে ঝুঁকছি। ডিজাইনারদের এসব কেনার সামর্থ্য যদি আপনার থাকে তাহলে খুবই ভাল। তবে একটি মজার ব্যাপার হচ্ছে যে, আপনি এখন যে কোন ডিজাইনের জিনিস বিভিন্ন মূল্যে কিনতে পারেন। আমি মনে করি এটা একটি ভাল পরিবর্তন এবং এটা পুরোটাই ইতিবাচক। অনেকের কাছে আমরা অনেক অভিযোগ শুনেছি যে এইচ এন্ড এম এবং জারা অনেক দ্রুত নিজেদের ব্র্যান্ডে পরিবর্তন এনেছে। রানওয়ের জনপ্রিয় আইটেমগুলো তারা খুব দ্রুত অনুকরণ করে ফেলছে। আপনিও আপনার ক্যারিয়ারে অনেক কিছু অনুকরণ করেছেন। আপনি কি এগুলো কখনও ভেবেছেন?

কেলভিন ক্লেইন: আমি মনে করি এটা একটি কৃতিত্বের প্রতীক এবং প্রশংসাসূচক। আমি ফটোগ্রাফারদের সাথে বিজ্ঞাপন এবং প্রচারণার জন্য কাজ করেছি। একজন ফটোগ্রাফার আরেকজনকে দেখে অণুপ্রাণিত হয়, আবার তাকে অনুকরণ করে। এটা হয়। এবং এটা চাটুতা! এবং এটা জীবনের প্রত্যেক পদে পদেই হয়ে থাকে। আমি মনে করি এখানে ব্যাপারটা হচ্ছে এমন- অনেক পোশাক আছে যেগুলো অল্প মূল্যেই বাজারে পাওয়া যায় এবং রানওয়েতে সেই পোশাকগুলো এনেই সেগুলো অনেক বেশি দামেই বিক্রি করা হচ্ছে যেটা জীবনে ঘটে যাচ্ছে। আমরা এমনই এক জগতে বাস করছি; অনেকে এটাকে আবার ঠিক করতে চায়। কিন্তু তারা সবার মতো না। তারা আসলেই সবার মতো না। আমরা জানতাম যে কেলভিন ক্লেইনের সবগুলো উপকরণই আপনি নিয়ন্ত্রণ করতেন। আপনি যখন ২০০৩ সালে আপনার কোম্পানি বিক্রি করে দিলেন তখন এটা কি আপনার জন্য কঠিন ছিল?

কেলভিন ক্লেইন: আমার প্রথম সুগন্ধি ব্যবসার নাম দিয়েছিলাম ‘অবসেশন’ কারণ এতে কাজ করার সময় এই জিনিসটা আমার মধ্যে ছিল, আমার আইডিয়া এবং এর পরিপূর্ণতার মধ্যেও। আমি প্রত্যেকটা ক্ষুদ্র অংশের উপর কাজ করেছি এবং ব্যবসায়িক দিক চিন্তা করেছি যে আমার ক্রেতা কেমনটা চাচ্ছে এবং সে অনুযায়ী আমরা কতটা করতে পারব। আমি অনেকদিন ধরে মনে করতাম ব্যবসার শুরুটা এভাবে, ‘এটাই কি এমন কিছু যা দিয়ে আমি বাকি জীবনটা পার করব?’ এবং আমি জানতাম যে এটা তা নয়। নতুন কোন পণ্য তৈরির সময় আমি আমার সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করতাম। তবে পুনরাবৃত্তিতে আনন্দ কম ছিল।

আপনি কি কখনও এর থেকে একটু দূরে থাকতে চেয়েছিলেন যাতে এর থেকে আপনার আকর্ষণ কিছুটা কমে? আপনি এটা অনেক বছর ধরেই চালিয়েছেন

কেলভিন ক্লেইন: এটা পুরোটাই একটা পরিবর্তন ছিল! আমি এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কয়েক বছর ধরে চিন্তা করেছিলাম। আমি মনে করি না এরকম একটি আকস্মিক পরিবর্তনের জন্য আপনারা কখনও প্রস্তুত ছিলেন, এটা আমার জন্য অনেক কষ্টকর এবং হাস্যরসহীন হয়ে উঠছিল। আমি যদি একটি ডিজাইন রুম পেতাম এবং এতে শুধুই নতুন নতুন কালেকশন তৈরি করা আমার কাজ হত, তাহলে এই কাজ আমি সারা জীবন করতে পারতাম। কিন্তু শুধু ডিজাইন স্টুডিওতে বসে কালার ও কাপড় নিয়ে কাজ করার চেয়ে বর্তমান ফ্যাশন বিশ্বে একটি সফল ব্যবসা পরিচালনা করা এবং একটি ব্র্যান্ডকে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে পরিচিত করে তোলার মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। সুতরাং আমি অনুভব করলাম এটাকে ছেড়ে দেওয়ার সময় হয়েছে। তাই আমি এটি বিক্রি করে দিয়েছি এবং এরপর থেকে এটা আর আমার নিয়ন্ত্রনে নেই এবং আমি জানতাম তারা সেভাবে কাজ করতে পারবে না যেভাবে আমি করতাম- কারণ কেউ পারবে না!

আপনি কি এখনও এই কোম্পানিকে অনুসরণ করেন? কারণ এটা এখনও আপনার নামটাই বহাল রেখেছে

কেলভিন ক্লেইন: আমি এতে ভালভাবে মনযোগ দেই না। আমি স্টোরে যাই না এবং দেখি না যে তারা কি তৈরি করছে। আমি স্টোরে যেতাম না এবং দেখতামও না কে কি বানাচ্ছে। এবং এটাকে তাদের মতো যেতে দেওয়াটা খুব কঠিন কিছু ছিল না। এটা ছিল শুধু একটি সমন্বয় এবং এর কিছু অংশ ছিল অনেক সুন্দর এবং মাঝে মাঝে আমি কিছু সুন্দর মানুষকে মিস করি যাদের সাথে আমার কাজ করার সুযোগ হয়েছিল।

ফ্যাশন হাউসের একজন ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর কি একই সাথে একজন ডিজাইনার হওয়া জরুরি নাকি এখনকার দিনে শুধু দিক নির্দেশনা দেওয়া এবং ব্র্যান্ডকে উপস্থাপন করতে পারলেই চলে?

কেলভিন ক্লেইন: ডিজাইনার হিসেবে কাজ করেনি এরকম কোন ফ্যাশন হাউসের ডিরেক্টর আমি চিন্তাও করতে পারি না। ডিজাইন স্টুডিওকে সাথে নিয়ে প্রোডাক্টটি তৈরির প্রতিটি ক্ষেত্রে আপনাকে সম্পৃক্ত থাকতে হবে। আমার মনে হয় এটা কারো জন্য অনেক কঠিন হবে যে নিজে ডিজাইনার না, কিন্তু বৃহৎ কোন কোম্পানির তত্বাবধানে কাজ করছে। ডিজাইনার হওয়া ভাল, কিন্তু আধুনিকভাবে কেউ যদি চিন্তা করে তাহলে ডিজাইন ছাড়াও সে কোন প্রোডাক্টের তত্বাবধানের দায়িত্ব নিতেই পারে।

 

কিন্তু সামাজিক মাধ্যমে কারো যদি আট অঙ্কের ফলোয়ার থাকে তাহলে এটা অন্যান্য ব্র্যান্ডগুলোর কাছে প্রলুব্ধকর মনে হতে পারে...

কেলভিন ক্লেইন: আমি মনে করি না সবাই এটা জানে যে, সামাজিক মাধ্যমে এর প্রভাব কীভাবে বিস্তার করছে। যখন আমি সুগন্ধি ব্যবসা শুরু করেছিলাম তখন একজন ডিজাইনার খুব ভাগ্যবান হলে তার কাছে হয়তো একটি সুগন্ধি থাকত, কিন্তু সেই সময়েও সুগন্ধি ব্যবসা করে এটার মূল্য বিলিয়ন ডলারে নিয়ে গিয়েছিলাম। সেই সময়ে সেলিব্রেটি, মুভি স্টার এবং মিউজিসিয়ানরা ছিলেন যাদের কাছে সুগন্ধি থাকত, কিন্তু দিন শেষে তারা অন্য কোথাও যেতেন না। তারা হয়তো ভাল দু’টি বছর পেতে পারে, কিন্তু এর কোন স্থায়িত্ব নেই। এবং শুধু অনেকজন ফলোয়ার আছে বলে এটাকে আমি খুব বড় কিছু মনে করি না, কারণ তারা ভুল মানুষও হতে পারে। অনেকে আছেন যারা ৩,০০০ মার্কিন ডলার দিয়ে হ্যান্ডব্যাগ কিনে থাকে, যাতে তাদের কিম কার্দাশিয়ানের মতো দেখতে লাগে। আপনার শুধুই অর্থ আছে এবং আপনি ব্যয়বহুল জিনিস কেনার সামর্থ্য রাখেন- এর মানেই এই না যে আপনার পছন্দ ভাল।

আপনার কাস্টমারদের ভাল পছন্দ থাকা কি গুরুত্বপূর্ণ?

কেলভিন ক্লেইন: না, আমি সবসময় মজা করেই বলি যে, আমার বানানো যে কোন জিনিস যে কেউ কিনতে পারে। এখানে কোন নিশ্চয়তা নেই! আমরা প্রায়ই ঝুঁকি নেই এবং যখনই আপনি পোশাকগুলো সেখানে রেখে দেবেন, যে কেউ হোক সেটা কিনবে। সবাই দেখতে রানওয়ে মডেলদের মতো নয়। আমি আসল নারীদের জন্য পোশাক বানাই। ফ্যাশন ম্যাগাজিন সম্পর্কে আমি বেশি কিছু চিন্তা করি না এবং ফ্যাশন ম্যাগাজিন সম্পাদকীয়তার মাধ্যমে ব্র্যান্ড তৈরি করাতেও না। আমি সরাসরি এটা তৈরিতে বিশ্বাসী। এজন্য আমি অনেক বিজ্ঞাপন দেই। আমি ঠিক করেছিলাম আমি যেটা বলতে চাই সেটা সবাইকে জানানো যা ফ্যাশন ম্যাগাজিনের চেয়ে ভাল।

এখনকার সময়ে অনেক ব্র্যান্ড শুধু বিজ্ঞাপন দেয় তাদের নাম ছড়ানোর জন্য। আপনি নিশ্চয় অন্য কোন কারণে বিজ্ঞাপন দিতেন...

কেলভিন ক্লেইন: আমি এটা চিন্তাও করতাম না! আমাকে প্রায়ই বলা হত যে, আমরা যে ছবিগুলো তৈরি করতাম সেগুলো ম্যাগাজিনের চেয়েও বেশি মনোযোগ আকর্ষণ করত। অনেকগুলো ম্যাগাজিন এবং খবরের কাগজ- এগুলো নিজেরাই তাদের সীমাবদ্ধতা মেনে চলে। জনগনও বিরক্ত। জনগন জিনিসগুলো তাড়াতাড়ি দেখতে চায়, তারা এগুলো অনলাইনে দেখতে চায় এবং সামাজিক মাধ্যমেও যা গুরুত্বপূর্ণ।

 

আপনি আজও যদি সেই পদে থাকতেন, তাহলে কি এখনও প্রিন্টের বিজ্ঞাপনই করে যেতেন নাকি অনলাইনের দিকে মনোযোগ দিতেন?

কেলভিন ক্লেইন: আমি পদক্ষেপ নিতে এবং পরীক্ষা করতে পছন্দ করি এবং হয়তো সবসময় সবকিছু কাজ করে না- কিন্তু দেখি কোনটা উপযুক্ত। আমি মনে করি আমি যদি আজও এই সেই পদে থাকতাম, তাহলে আমি ঐ একই ভাবে কাজ করতাম। আমার অনুভূতির উপর ভিত্তি করে মডেলদের নির্ধারণ করে দিতাম যেন আমি যা তৈরি করছি তারা তা উপস্থাপন করতে পারে। আমি চমকে দিতে পছন্দ করি। আমি নতুন পথ খুঁজে নিতে পছন্দ করি। এখন আমাদের অনলাইনও আছে এবং এখানে ব্যাপারগুলো হয়তো অন্য রকম। আপনাকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনি নিজেকে কোথায় দেখতে চান, আপনার দর্শক কারা। তাই টেলিভিশন কিংবা প্রিন্টের চেয়ে অনলাইনে খুব বেশি পার্থক্য নেই। এবং পরিস্কারভাবে, কোন মেসেজ থেকে থাকলে অনলাইন গুরুত্বপূর্ণ।

কেলভিন ক্লেইন মেসেজটি আপনার কাছে সবসময় অনেক পরিষ্কার মনে হয়

কেলভিন ক্লেইন: আমি মিডিয়াকে নিজে থেকেই ব্যবহার করতাম কারণ আমি জানতাম যে, আমি কার জন্য কাজ করছি। আমি অনুভব করতাম যে, টেলিভিশনে কোন ধরণের অনুষ্ঠানগুলো মানুষ দেখে এবং কোন ম্যাগাজিনগুলো পড়ে। আমি বলছি না আমি একাই সব করতাম, তবে আমি এর সবগুলোতেই অংশগ্রহন করেছিলাম। প্রচারণার জন্য আমি ফটোগ্রাফার ও স্টাইলিস্টদের সাথে কাজ করেছি, আমি নিজেদের জন্য একটি সৃজনশীল এজেন্সি তৈরি করেছিলাম যা পরে একটি মাঝারি রকমের বিজ্ঞাপন এজেন্সিতে পরিণত হয়েছিল। আমি জানতাম যে, আমি যা অনুভব করতাম তা স্বভাবতই আমার জন্য সঠিক ছিল এবং আমি আমার পুরো ক্যারিয়ারে এটি অনুসরণ করেছি। এভাবে আমি বাস করি; এভাবেই আমি কাজ করি। আমি যা কিছু করেছি এবং আমার যা কিছু আছে তার সবকিছুই আমার ব্যক্তিগত পছন্দের একটি বাস্তব রূপ।

.......বিস্তারিত.

বিনোদন ডেস্ক, ঢাকা : ঝড়ের আভাস ছিল আগে থেকেই। এবার সেই ঝড়ের প্রথম ঝাপটা এসে লাগলো ভারতীয় সিনেমা বাজারে। রজনীকান্ত-এর নতুন সিনেমা ‘কাবালি’ মুক্তির প্রথম দিনেই আয় করে নিয়েছে ৩৫ কোটি রুপি। ভারতে ১২ হাজারেরও বেশি হলে মুক্তি পেয়েছে ‘কাবালি’। প্রথম দিনেই ৩৫ কোটি রুপির উপরে আয় করেছে সিনেমাটি। বাণিজ্য বিশ্লেষক তারান আদার্শ টুইটারে জানান, শুরু হলো দীর্ঘ প্রতিক্ষীত ‘কাবালি’র যাত্রা দর্শক উন্মত্ত হয়ে আছে যার জন্য। দুনিয়া কাঁপানো এক বক্স অফিস সংগ্রহের জন্য প্রস্তুত সবাই।

যদিও স্যাটেলাইট সত্ত্বসহ অন্যান্য চুক্তির মাধ্যমে মুক্তির আগেই ২০০ কোটি রুপি আয় করেছে সিনেমাটি। ভারতে অনেকগুলো রেকর্ড ভেঙ্গে বক্স অফিসে বিরাট অঙ্কের সংগ্রহের দিকে এগুচ্ছে ‘কাবালি’। মুক্তির প্রথম দিনে সিনেমা হলগুলোতে দর্শকদের লম্বা লাইন শুরু হয় ভোর ৫ টা থেকে।

এদিকে, কেবল ভারতেই নয়, উত্তর আমেরিকাতেও সিনেমার বাজারকে কাঁপিয়ে দিয়েছে ‘কাবালি’। যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার বাজার থেকেই আয় করেছে প্রায় ২০ লাখ ডলার, জানিয়েছে বিতরন প্রতিষ্ঠান সিনেগ্যালাক্সি ইনকর্পোরেশন। যেখানে চারশটিরো বেশি পর্দায় মুক্তি পেয়েছে ‘কাবালি’।

উত্তর আমেরিকায় উদ্ভোধনী দিনে যে কোন ভারতীয় সিনেমার চেয়ে বেশি আয় করেছে ‘কাবালি’। প্রথম শো থেকেই সিনেমাটি আয় করেছে প্রায় ২০ লাখ ডলার”, এমনটাই জানিয়েছেন সিনেগ্যালাক্সি’র অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সঞ্জয় দুসারি।    

বাণিজ্য বিশ্লেষক ত্রিনাথ-এর মতে একমাত্র রজনীকান্তের কোন সিনেমায় পারে প্রথম দিনেই এতো পরিমাণ আয় করতে। অন্য কোন সিনেমার পক্ষে মুক্তির প্রথম দিনে এই পরিমাণ আয় করা অসম্ভব। মুক্তির আগেই দর্শকদের মধ্যে সৃষ্টি হওয়া ‘কাবালি’ আলোড়ন আর সিনেমার সাথে রজনীকান্ত-এর সংশ্লিষ্টতার কারণেই সম্ভব হয়েছে এটা। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে ‘বাহুবলি’ মুক্তির দিনে আয় করেছিল প্রায় ১৪ লাখ ডলার যেখানে ‘সুলতান’ এর আয় করেছে ৭ কোটি ৮৬ লাখ ডলার। যার মানে যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তির প্রথম দিনে ‘বাহুবলি’ আর ‘সুলতান’-এর আয়ের রেকর্ডটি এখন ‘কাবালি’র দখলে। 

দুনিয়াজোড়া প্রায় ৫০০০ পর্দায় একসাথে মুক্তি পাওয়া ‘কাবালি’ গল্প বলে এক গ্যাংস্টারের যে কিনা নিরন্তর লড়ে যাচ্ছে মালেশিয়ায় তামিল শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। তেলেগু, তামিল,হিন্দি সহ বেশ কয়েকটি ভাষায় মুক্তি পাওয়া এই সিনেমায় রজনীকান্তের সাথে আরও অভিনয় করেছেন রাধিকা আপ্তে, কিশোর, দিনেশ,ধানসিকা,কালাইরাসান এবং উইন্সটন চাও।

‘কাবালি’র মুক্তি ভারতে পরিনত হয়েছে একটি উৎসবে। ‘থালাইভার’-এর ভক্তরা নানান কর্মসূচীর মাধ্যমে উদযাপন করে দিনটিকে। ‘কাবালি’র মুক্তি উপলক্ষ্যে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিলো চেন্নাই, বেঙ্গালুরু আর মেঙ্গালুরের অধিকাংশ অফিসে। কোন কোন কোম্পানী তো ‘কাবালি’র টিকিটও উপহার দিয়েছে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।

.......বিস্তারিত.

ঢাকা: বলিউডের নায়িকা বলে কথা! তিনি আসবেন, ভক্তদের কাছে তার কথা পৌঁছে দিতে গণমাধ্যমকর্মীদেরও আগ্রহের কমতি ছিলো না। কিন্তু তাতে জল ঢাললেন শিল্পা শৈঠি। টানা সাড়ে চার ঘন্টা সাংবাদিকদের বসিয়ে রেখে জানালেন তিনি বিশ্রামে আছেন। হতাশ করলেন নায়িকা।

এখানেই শেষ নয়, দ্বিতীয় পর্ব বাকি। যে কারণে শিল্পার আসা, বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে ‘প্যাশন ফর ফ্যাশন’শীর্ষক ফ্যাশন শোতে অংশ নেবেন তিনি।সাড়ে ছয়টায় অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও অনুষ্ঠান শুরু হতে বাজলো সাড়ে আট। দেশি মডেলদের পারফর্মেন্স এ মুগ্ধতাও ছড়ালো।

পোষাকের নকশা আর মডেলদের রূপের ঝলকে কিছুক্ষণ বুঁদ হয়ে থাকলেও শিল্পার জন্য অপেক্ষাই ছিলো আগতদের মনে। অনুষ্ঠানের শেষে ঘোষণায় এলো শিল্পার নাম। তিনি এলেন। এক মিনিটেরও কিছু কম সময় হাটলেন। এবং থামলেন। শিল্পা কি শুধু হতাশ করতেই জানেন?

আওড়ালেন কিছু মুখস্থ বুলি- ‘বাংলাদেশে আসতে পেরে অনেক ভালো লাগছে। সবাইকে অনেক ধন্যবাদ আমার জন্য অপেক্ষা করার জন্য।চমৎকার আয়োজন।’ বাংলায় দুটি বাক্য বললেন শিল্পা। তোমাকে ভালোবাসি এবং তুমি ভীষন মিষ্টি। কার মুখ থেকে এ অমৃত বাক্য শুনেছেন শিল্পা বাংলার দেশে এসে, সে আর জানা হলো না।

কিন্তু শিল্পা শেঠিকে যে টকই লাগছিলো আগতদের। নিন্দা আর ক্ষোভ নিয়ে প্রত্যেকেই ঘরে ফিরলেন। জানা যায়, আয়োজক প্রতিষ্ঠান ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের দ্বন্দের জেরে সুখের হয়নি শিল্পার এ আগমন। অনুষ্ঠানজুড়ে অব্যবস্থাপনার চিত্র ফুটে উঠেছে।

দেশি মডেলদের গায়ে পোশাক চড়িয়েছেন রেড, আম্বার, নূর-এ-জান্নাতসহ বাংলাদেশ ও ভারতীয় বেশকিছু ব্র্যান্ড। অনুষ্ঠানে মোট ১৫টি কিউতে অংশ নেন বলিউড অভিনেত্রী শিল্পাসহ বাংলাদেশের মডেল ইমি, হীরা, মিলি, রাইসা প্রমুখ।

.......বিস্তারিত.

বিনোদন ডেস্ক, ঢাকা : তাঁর উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের ঘোরমাখা সুরে হারিয়ে যায় সবাই। কণ্ঠ ও যন্ত্র সঙ্গীতে রাগ-রাগিনীর খেলায় পরিশুদ্ধ হয় শ্রোতাদের মন-প্রাণ। সুরে সুরে আকাশে-বাতাসে ছড়িয়ে যায় শান্তির বার্তা। আর বাংলার আদি সুর শাস্ত্রীয় সঙ্গীতকে ভালোবেসে সর্বদাই নিজের মধ্যে লালন করেন মিতু কর্মকার। তরুণ এ কণ্ঠশিল্পী ইতিমধ্যেই সঙ্গীতাঙ্গনে নিজের একটি অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন। আর সর্বশেষ গত ঈদে বের হয়েছে তার একক অ্যালবাম ‘ভেবেছিলাম’।

টাঙ্গাইলের মেয়ে মিতু। বেড়ে ওঠা টঙ্গীতে। গানের সঙ্গেই সখ্যতা সেই ছোটবেলা থেকেই। তার গানের শুরু মায়ের হাত ধরে। অক্ষর জ্ঞান হওয়ার আগেই মায়ের কাছে গানে হাতেখড়ি। প্রায় বার বছর ধরেই গানের সঙ্গে তার বসবাস। আর প্রসঙ্গ তো গানই হবে। কথায় কথায় আলাপের শুরুতেই তিনি বললেন, ‘গান আমার অক্সিজেন। গান ছাড়া আমি অস্তিত্ব সংকটে থাকি।

মিতু কর্মকারের গানের গুরু সঞ্জীব দে। তিনিই তাকে শিখিয়েছেন গানকে কিভাবে ভালোবাসতে হয়, কিভাবে যত্ন করতে হয়। আর তখন থেকেই গানের গুরুকে নিজের জীবনের পথপ্রদর্শক হিসেব মেনে পথ চলছেন। শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে দীক্ষা নিলেও রবীন্দ্রসঙ্গীত, নজরুলগীতিও তার কাছে ভাল লাগে। বাংলাদেশ বেতারে তিনি নজরুলগীতিতে এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনে আধুনিক গানের শিল্পী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।

ছোট থেকে গান করলেও মিতু শিল্পী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন ২০১৫ সালের ভালোবাসা দিবসে। ‘খুঁজি তোমায়’ নামে একটি মিক্সড অ্যালবামে দুটি গান করেন মিতু। সর্বশেষ ঈদে জি-সিরিজ থেকে প্রকাশিত হয়েছে একক অ্যালবাম ‘ভেবেছিলাম’। এখন পর্যন্ত ভালোই সাড়া পাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘আমার মত তরুণ শিল্পীদের সুযোগ করে দেয়ার জন্য জি-সিরিজের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।

মিতুর পছন্দের শিল্পী উপমহাদেশের প্রখ্যাত শিল্পী বেগম আক্তার। এছাড়াও নীলুফার ইয়াসমিন ও সাবিনা ইয়াসমিনের গানও ভালোবাসেন তিনি। ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে মিতু বলেন, 'আমার কাছে মনে হয় বেশির ভাগ মানুষের পরিকল্পনার ‘পরি’ উড়ে যায় আর ‘কল্পনা’ পড়ে থাকে। তবে আমার ইচ্ছে আগামী ১০ বছরে অন্তত এমন দুটি গান করবো যার কারণে শ্রোতারা আমাকে বাকিটা জীবন মনে রাখবেন।

.......বিস্তারিত.

খেলাধুলা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, ঢাকা : প্রথমবারের মত ইংল্যান্ডের ঘরোয়া লিগে খেলতে গেছেন মোস্তাফিজ। দলের পরিবেশ এবং দেশের আবহাওয়া কোনটার সঙ্গেই তেমন পরিচত নন বাংলাদেশের এই কাটার মাস্টার। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে একবার ইংল্যান্ড আসলেও ইনজুরির কারণে একদিন পরেই দেশে ফিরতে হয়েছিল তাকে। তাই এবার ইংল্যান্ডে এসেই প্রথমে উঠেছেন স্থানীয় এক বাংলাদেশির বাসায়। 

সাসেক্সের হয়ে দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামার আগে মোস্তাফিজ সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে সাসেক্স ক্রিকেটের সভাপতি জিম মে বলেন, মোস্তাফিজ সাসেক্সে এক বাংলাদেশি পরিবারের বাসায় উঠেছে। তারাই তাকে স্বাগতম জানায়।

ন্যাটওয়েস্ট টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে অভিষেক ম্যাচে নেমেই চার উইকেট নিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেন মোস্তাফিজ। এসেক্সের বিপক্ষে সেই ম্যাচে ম্যাচ সেরার পুরষ্কারটিও লুফে নেন বাংলাদেশের এই বিস্ময়বালক। অবশ্য প্রথম ম্যাচের মত দ্বিতীয় ম্যাচটি অতটা সুখকর হয়নি তার। দলের হারের দিনের বল হাতেও অনুজ্জ্বল ছিল মোস্তাফিজ। এদিন ৩.২ ওভার বল করে ৩১ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন মোস্তাফিজ। 

.......বিস্তারিত.

স্পোর্টস ডেস্ক, ঢাকা : আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিয়েছেন। এখন পুরো মনোযোগটাই তার ক্লাব ফুটবলের উপর। ছুটি কাটিয়ে বার্সেলোনার সেরা তারকা মেসি আবারো ফিরে আসছেন তার পুরনো ঠিকানায়। মৌসুম শুরুর আগেই বার্সায় নিজের প্রথম রেস্টুরেন্ট খুললেন লিওনেল মেসি।

মূলত এটি মেসির ভাই রড্রিগো মেসির রেস্টুরেন্ট। যেটিতে সহায়তা করেছেণ মেসি। রেস্টুরেন্টটি শুক্রবার সকলের জন্য উন্মুক্ত করার পরপরি বেশ জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে প্রায় সবসময়ে লোকজনে ভরা থাকে। খুব কম খরচে খাবারের মানও বেশ ভালো।

রেস্টুরেন্টটির সঙ্গে রয়েছে ১ হাজার স্কয়ার মিটারের বাগান। মূলত রেস্টুরেন্টটি আর্জেন্টিনার রোজারিওর বাসিন্দাদের উৎসর্গ করে তৈরি করা। মেসি এবং রড্রিগো দুজনই এই রেস্টুরেন্টের দেখাশোনা তদারকি করবেন। উল্লেখ্য আগামী ১ আগস্ট থেকে বার্সেলোনার হয়ে অনুশীলন শুরু করবেন মেসি। 

 

.......বিস্তারিত.

শিল্প সাহিত্য

ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় সবকিছুই শেয়ার করেন ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় সবকিছুই শেয়ার করেন ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় সবকিছুই শেয়ার করেন ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় সবকিছুই শেয়ার করেন ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় সবকিছুই শেয়ার করেন ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় সবকিছুই শেয়ার করেন ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক 

.......বিস্তারিত.

বন্ধু ও অনুসারীদের কাছে নিজের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় সবকিছুই শেয়ার করেন ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ। পরিবারের সদস্যদের জন্মদিন থেকে শুরু করে যেকোনো অনুষ্ঠানের ছবিসহ পোস্ট দিতে দেখা যায় তাঁকে। তবে ১৯ মে তারিখটি জাকারবার্গের জীবনে একটি বিশেষ দিন বটে। কেন? কারণ, এদিন প্রিসিলা চ্যানকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। দেখতে দেখতে চার বছর পেরিয়ে গেল। ২০১২ সালে প্রিসিলাকে ঘরে তোলার পর গত বছরে তাঁদের মেয়ে ম্যাক্সিমার জন্ম হয়েছে। 

তাই এবারের বিয়েবার্ষিকী একটু বিশেষভাবে পালন করেছেন জাকারবার্গ দম্পতি। তাঁরা ‘হ্যামিল্টন: অ্যান আমেরিকান মিউজিক্যাল’ নাটক দেখতে যান। বিয়েবার্ষিকীতে নাটক দেখে কাটানোর ওই বিশেষ মুহূর্তটি তিনি ফেসবুকে শেয়ার করেছেন। ওই ছবিতে জাকারবার্গ, প্রিসিলা ছাড়াও নাটকের লেখক লিন-ম্যানুয়েল মিরান্ডাকেও দেখা যাচ্ছে।

.......বিস্তারিত.

১৯০১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল জার্মান লেখক টমাস মানের উপন্যাস ‘বাডেনব্রুকস’। উত্তর জার্মানির এক ধনাঢ্য পরিবারের চার পুরুষের গল্প এই উপন্যাসে বর্ণনা করা হয়েছে।

ঔপন্যাসিক মানের পরিবার বাস করত জার্মানির লুবেকে। মান মূলত নিজের পরিবারের আলোকেই এ উপন্যাসের গল্পটি সাজিয়েছেন। এটা ছিল তাঁর প্রথম উপন্যাস। প্রথম উপন্যাসটি যখন প্রকাশিত হয়, তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২৬ বছর। বইটি প্রকাশিত হওয়ার মাত্র দুই বছর পরেই ১৯০৩ সালে এর দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়।   

১৯২৯ সালে ‘বাডেনব্রুকস’ বইটির জন্যই সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন টমাস মান। সুইডিশ একাডেমি তাদের ঘোষণায় উল্লেখ করেছিল, মানের অন্যতম সেরা উপন্যাস ‘বাডেনব্রুকস’-এর জন্যই তাঁকে এ পুরস্কারের অন্যতম দাবিদার মনে করা হয়েছে। 

১৮৯৭ সালে ‘বাডেনব্রুকস’ লেখা শুরু করেছিলেন মান। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২২ বছর। তিন বছর পর ১৯০০ সালের জুলাইয়ে উপন্যাসটি লেখা শেষ করেন মান। বইটি প্রকাশিত হয় ১৯০১ সালের অক্টোবরে। মানের মূল লক্ষ্য ছিল ব্যবসায়ী ও শিল্পীদের জগতের মধ্যে যে সাংঘর্ষিক অবস্থা বিদ্যমান, তা নিয়ে লেখা। বিংশ শতাব্দীর বাস্তববাদী ঢঙে লেখা হয়েছে উপন্যাসটি। উপন্যাসটি লেখার আগে বেশ কিছু ছোটগল্প লিখেছিলেন মান। 

কাহিনী সংক্ষেপ
১৮৭৫ সালের ঘটনা। বাডেনব্রুক পরিবার তখন উন্নতির শিখরে উঠছে। চারদিকে পরিবারটির সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে। পরিবারের দেখভালের মূল দায়িত্ব পালন করেন জোহান। পরবর্তীকালে জোহানের কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পদ ও ব্যবসা দেখাশোনার দায়িত্ব পায় তার বড় ছেলে জ্যঁ। বাবার পর বাডেনব্রুক পরিবারের দায়িত্ব এসে পড়ে তার কাঁধে। জ্যঁয়ের মেয়ে অ্যান্তোনি বা টনি।  
ধীরে ধীরে বড় হয়ে ওঠে টনি। তরুণী টনিকে বিয়ে করার জন্য প্রস্তাব দেয় হার গ্রুনলিচ। বিয়ের প্রস্তাব পাওয়ার পর গ্রুনলিচের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নেয় টনির বাবা জ্যঁ। কিন্তু এর মধ্যে টনির সঙ্গে দেখা হয় মেডিকেলের ছাত্র মর্টেনের। 

মর্টেনের প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে টনি। এ খবর পাওয়ার পরই টনিকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনে তার বাবা-মা। দ্রুত গ্রুনলিচের সঙ্গে তার বিয়ের তারিখ ঠিক করা হয়। পরিবারের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে টনিও এর বিরোধিতা করতে পারে না। 

আর টনিকে সব বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিতে বলে গ্রুনলিচ। স্বামীর কথা মেনে নেয় টনি। এদিকে ধীরে ধীরে দেনার দায়ে ডুবে যায় টনির স্বামী গ্রুনলিচ। তার পাওনাদাররা তাকে চাপ দেয় ধনী শ্বশুরের কাছ থেকে অর্থ ধার করে এনে দেনা শোধ করতে। এর ফলে জ্যঁয়ের বাবা বুঝতে পারে, টনিকে আসলে অর্থের লোভে পড়েই বিয়ে করেছে গ্রুনলিচ।  

স্বামীকে অর্থ দিতে বাবাকে মানা করে টনি। মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যায় সে। টনির মেয়ে এরিকা গ্রুনলিচ বড় হতে থাকে নানাবাড়িতে। এর মধ্যে টনির সঙ্গে গ্রুনলিচের আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদ হয়ে যায়। আবারও নিজের বাড়িতে সবার সঙ্গে মিশে যায় টনি। ভাই টমের সঙ্গে দারুণ সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। ব্যবসার কাছে ভাইকে সাহায্য করা শুরু করে সে।  

লেখক পরিচিতি
পল টমাস মান জন্মেছিলেন ১৮৭৫ সালের ৬ জুন জার্মানিতে। তিনি ছিলেন একাধারে ঔপন্যাসিক, ছোটগল্প লেখক,  সামাজিক সমালোচক, প্রবন্ধকার। ১৯২৯ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি। তাঁর বেশির ভাগ উপন্যাসই আলোচিত হয়েছে শিল্পী ও বুদ্ধিজীবীদের মনোজগৎ নিয়ে কাজ করার জন্য। 

মান ছিলেন হানসিয়েটিক মান পরিবারের সন্তান। নিজের প্রথম উপন্যাস ‘বাডেনব্রুকসে’ নিজের পরিবারের সামাজিক মর্যাদা ও সদস্যদের মনোজগৎ নিয়ে লিখেছিলেন তিনি। টমাস মানের বড় ভাই হেনরিক মানও ছিলেন একজন লেখক। 

১৯৩৩ সালে যখন হিটলার জার্মানির ক্ষমতায় আসেন, তখন টমাস মান পালিয়ে সুইজারল্যান্ডে চলে যান। ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে টমাস চলে যান যুক্তরাষ্ট্রে। ১৯৫২ সালে তিনি আবারও সুইজার‍ল্যান্ডে ফিরে আসেন।

এই দীর্ঘ সময়ে তিনি মাঝেমধ্যে জন্মভূমি জার্মানিতে গিয়েছিলেন, কিন্তু পাকাপাকিভাবে থাকেননি। ১৯৪৯ সালে তিনি বেশ কিছুদিন জার্মানিতে ছিলেন। ১৯৫৫ সালে জুরিখে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন টমাস মান। 

** বিশ্বসেরা ১০০ বইয়ের তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে ব্রিটিশ পত্রিকা ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এ প্রকাশিত তালিকা অবলম্বনে। এ তালিকা তৈরি করেছে ‘নরওয়েজিয়ান বুক ক্লাবস’। বিশ্বের ৫৪টি দেশের ১০০ লেখকের কাছে তাঁদের চোখে সেরা ১০টি বই ও লেখকের নাম চেয়েছিল নরওয়েজিয়ান বুক ক্লাবস। ১০০ জন লেখকের দেওয়া সেই তালিকার ভিত্তিতেই যাচাই-বাছাই করে তৈরি করা হয়েছে এই তালিকা।

আরো পড়ুন...

১৩.ফিওদোর দস্তয়েভস্কির ‘দ্য ব্রাদার্স কারামজোভ’
১২.বুক অব জব
১১.ফার্নান্দো পেসোয়ার ‘দ্য বুক অব ডিসকোয়ায়েট’
১০. হোসে সারামাগোর ব্লাইন্ডনেস
৯. আলফ্রেড ডোবলিনের বার্লিন আলেক্সান্দারপ্লাটজ
৮. টনি মরিসনের ‘বিলাভড’
৭. তলস্তয়ের ‘আন্না কারেনিনা’
৬. ভার্জিলের ঈনিড
৫. মার্ক টোয়েনের ‘দি অ্যাডভেঞ্চার্স অব হাকেলবেরি ফিন’
৪. উইলিয়াম ফকনারের ‘আবসালোম, আবসালোম!’
৩. গুস্তাভ ফ্লোবার্টের ‘সেন্টিমেন্টাল এডুকেশন’
২. হেনরিক ইবসেনের ‘এ ডলস হাউস’
১. জর্জ অরওয়েলের ‘নাইনটিন এইট্টি ফোর’

.......বিস্তারিত.

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) প্রথম নারী উপাচার্য অধ্যাপক খালেদা একরাম ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন খালেদা একরাম।
বুয়েট উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারী কামরুল হাসান আজ মঙ্গলবার সকালে প্রথম আলোকে বলেন, চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে চিকিৎসার জন্য খালেদা একরামকে ব্যাংককে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। গতকাল রাতে মারা যান তিনি।
বুয়েটের জনসংযোগ কর্মকর্তা শাহ আলম বলেন, খালেদা একরামের মরদেহ দেশে আনার ব্যাপারে তাঁর পরিবার ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।
খালেদা একরামের জন্ম ১৯৫০ সালের ৬ আগস্ট। তিনি বুয়েটের স্থাপত্য বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। ৪০ বছরের বেশি সময় ধরে শিক্ষকতা করেছেন তিনি।
২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে চার বছরের জন্য বুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান খালেদা একরাম।
বুয়েট সূত্র জানায়, খালেদা একরামের বাড়ি বগুড়ায়। তবে তাঁর জন্ম ঢাকায়। ঢাকাতেই বড় হয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন...
বুয়েটের প্রথম নারী উপাচার্য খালেদা একরাম

.......বিস্তারিত.

মতামত

বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে হত্যা করা যাবে না

সমস্ত ফলাফল

বিশেষ প্রতিবেদন