ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে কফি

0

সকালে ঘুম থেকে উঠে চা বা কফিতে চুমুক দেয় না এমন মানুষ কমই আছে আমাদের দেশে। এমন অনেকেই আছেন যাদের সকালে ঘুম থেকে উঠে কফিতে চুমুক না দিলে যেন তাদের দিনটাই ভালো যায় না।

যে কারোরই ক্লান্তি কিংবা বিষন্নতা থেকে নিজেকে সতেজপূর্ণ করতে কফির কোনো জুরি নেই। অবশ্য আমাদের দেশে চা পানকারীর তুলনায় কফি পানকারীর সংখ্যা খুবই কম।

আসুন জেনে নিই কফির কতগুলো গুণাগুণ ও উপকারিতা-

১. সকালে ঘুম থেকে ওঠে কফি পান করলে যেন কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে অপর দিকে তেমনিভাবে হৃদেরাগের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে।

২. কফি পান স্ট্রোকের ঝুঁকি বহু গুণে কমিয়ে দেয়। বিশেষ করে করে যাদের স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে তাদের বেলায় এটা বেশি প্রযোজ্য।

৩. যে সমস্ত ব্যক্তি দিনে ছয় বা তার বেশি কাপ কফি কিংবা তারও অতিরিক্ত কফি পান করেন তাদের টাইপ-টু ডায়াবেটিস হওয়ার শঙ্কা খুবই কম থাকে।

৪. স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে কফি। কফি পান ব্রেনের জন্যও ইতিবাচক। যারা বেশি বেশি কফি পান করে তাদের মস্তিষ্ক বিকৃত হওয়ার আশঙ্কা ৬৫ শতাংশ কম থাকে।

৫. পরিমিত হারে কফি পান পুরুষদের গলব্ল্যাডারের ঝুঁকি কমায় ও মহিলাদের গলস্টোনের ঝুঁকি কমায়।

৬. কফি পান হজমেও সহায়ক ভূমিকা রাখে।

৭. কফি পান মাথাব্যথা বা মাইগ্রেনের সমস্যায় দারুণ কার্যকরী।

৮. প্রতিনিয়ত কফি পানে লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা ২৫ শতাংশ কমিয়ে দেয়।

৯. চর্বি কমানোর জন্য যখন ব্যায়াম করা হয় তখন কফি পান করা খুবই উপকারী। কেননা, কফি চর্বি কমাতে সহায়তা করে।

১০. কফি পানে দাঁত বিবর্ণ হয়ে যায়। তবে কফি পানে ইতিবাচক দিক হচ্ছে, দাঁতকে ক্ষয় থেকে রক্ষা করে।

Share.
মন্তব্য লিখুনঃ

 

',