কালকিনি হাসপাতালে করোনার টিকা নিতে আসা একাধীক নারীর স্বর্ণালংকার চুরির অভিযোগ


Admin   প্রকাশিত হয়েছেঃ   ২৩ ডিসেম্বর, ২০২১

  1. সবুজ খান কালকিনি মাদারীপুর: মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনার টিকা নিতে আসা একাধীক নারীর স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা-পয়সা চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ চুরির ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে ভূক্তভোগীরা। আজ মঙ্গলবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কয়েকজন ভূক্তভোগী পরিবার। তবে দীর্ঘদিন যাবত এ চুরির ঘটনা ঘটলেও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এদিকে এ ঘটনা যানাযানি হলে সাধারন জনগনের মাঝে চড়ম সমালচনা ঝড় সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিন ও ভূক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, সারা দেশের সাথে এক যোগে মহামারি করোনার টিকা সাধারন জনগনের মাঝে প্রদান করা শুরু করেন কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। হাসপাতালে দীর্ঘ কয়েক মাস যাবত এ টিকা নেয়ার জন্য উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে প্রতিদিন ভীড় জমান সাধারন জনগন। পরে টিকা নিতে আসা লোকজন হাসপাতালের ভীতরে লাইনে দাড়ালে নারীদের গলার স্বর্ণের চেইন ও নগদ টাকা চুরি হয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন একাধীক ভূক্তভোগীরা। তবে দীর্ঘ কয়েক মাস যাবত এ চুরির ঘটনা ঘটে আসছে বলে একাধীক ভূক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ রয়েছে। এদিকে চুরির ঘটনা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে যানানো হলেও কোন ব্যাবস্থা নেয়া হচ্ছেনা বলে ভূক্তভোগীদের অভিযোগ। অপরদিকে এ চুরির ঘটনা সাধারন জনগনের মাঝে যানাযানি হলে পুরো উপজেলা জুরে এখন চড়ম সমালোচনা ঝড় সৃষ্টি হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিশ্চুক বেশ কয়েকজন ভূক্তভোগী কানা জরিত কণ্ঠে জনকণ্ঠকে বলেন, আমরা করোনার টিকা দিতে হাসপাতালে আসি। কিন্ত লাইনে দাড়িয়ে আমরা টিকা নেই। পরে দেখি আমাদের গলার স্বর্ণের চেইন চুরি হয়ে গেছে। এ বিষয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষর কাছে অভিযোগ দিলেও তারা কোন ব্যাবস্থা নেয় না। তাই এ চুরি দীর্ঘদিন ধরে চলছে। এ কারনে এখন অনেকে টিকা দিতে আসতে ভয় পাচ্ছে।

হাসপাতেলর একজন কর্মকর্তা এ বিষয় বলেন, করোনার টিকা নিতে আসা কয়েক মাস যাবত বেশ কিছু নারীর গলার স্বর্ণের চেইন চুরির ঘটনা ঘটেছে।

এ বিষয় জানতে চাইলে হাসপাতালে গিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস সোবহানকে উপস্থিত পাওয়া যায়নি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপংকর তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, হাসপাতালে চুরির ঘটনা যানতে পেরেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এব্যাপারে জেলা প্রশাসক ডা. রহিমা খাতুন বলেন এ বিষয়টি দুঃখ জনক।