প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন রফিকুল মাস্টার


Admin   প্রকাশিত হয়েছেঃ   ১৯ আগস্ট, ২০২০

 

“গাজীপুরের ভবানীপুর বিটে ৮কোটি টাকার বনভূমি দখল” শিরোনামে গত [১১ আগস্ট ২০২০] অনলাইন নিউজ পোর্টাল “আলোকিত নিউজ” ডটকমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

 

উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন গাজীপুর সদর (জয়দেবপুর) থানার বানিয়ারচালা (বাঘের বাজার) এলাকার মৃত আলহাজ্ব সাইজ উদ্দিনের সন্তান রফিকুল ইসলাম মাস্টার। তার দাবি আলোকিত নিউজ এর প্রতিবেদককে ভুল তথ্য দিয়ে উনার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।

 

রফিকুল ইসলাম মাস্টারের স্বাক্ষরিত কাগজে তিনি প্রতিবাদ জানিয়েছেন ও সার্বিক বিষয় তুলে ধরেছেন। তার লেখাগুলো হবহু তুলে ধরা হয়েছে…

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

প্রিয় সাংবাদিক ভাই
আমার সি.এস, এস.এ, আর.এস- তিন রেকডর্ীয় ভূমি কে বা কারা মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার সম্মান ও ক্ষতি সাধন করার জন্য ভূল তথ্য দিয়ে অনলাইন নিউজ পোর্টাল আলোকিত নিউজ ডক কমে গত ১১ আগস্ট গাজীপুরের ভাবানীপুর বিটে আট কোটি টাকা বনভূমি দখল শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। যা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদে অনেক তথ্য মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন লেখা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে আমার পৈত্রিক দোকানপাট ঘরবাড়ি থেকে প্রায় ২ কিলো পূর্বে দিকে বনের জমি ও গজারী বন। আমার জমির পাশেও কোন বনের জমি নাই। আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য আমার অজানা কোন বিরোধিতাকারী প্রতিবেদনকারীকে ভূল তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে। এই জন্য আমি আপনাদের সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। জমির তফসিল পরিচয় নিম্নে দেওয়া আছে- উক্ত দাগে শত শত ঘর বাড়ি দোকান পাট ১০০ বছর পূর্বে থেকে স্থাপন করে আসছে। নতুন কোন ঘর বাড়ি দোকান পাট করা হয়নি। পূর্বের নির্মিত ঘর বাড়িগুলো মেরামত করা হয়, যা শত বছর আগে থেকে ভোগ দখলে আছে। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ইতিপূর্বে গেজেটমুক্ত করার জন্য জেলা প্রশাসক মহোদয়, এম.পি মহোদয়, মন্ত্রী মহোদয় সকলের সুপারিশ সহ প্রতিবেদন ভূমি মন্ত্রনালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। বন বিভাগের মিথ্যা মামলা ও অযথা হয়রানী থেকে পরিত্রান পাওয়ার জন্য এলাকার নিরীহ মানুষ অনেক প্রতিবাদ সভা ও সাংবাদিক সম্মেলন করেছে। পূর্বের দোকান-পাটের ছবি সংরক্ষন করা আছে প্রমাণ স্বরূপ। আমাদের জন্মের পরেও কোন খাস জমি দখল করার ইতিহাস আমাদের নেই। আমরা নিরীহ ও শান্তিপ্রিয় লোক। আমাদের একটি মামলা জজ কোর্টে চলমান আছে। আমি আদলতের আদেশ অমান্য করি নাই।

 

আরো প্রকাশ আছে যে, গত ১২/০৮/২০২০ ইং তারিখ দুপুর ২টায় বন বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিউজের বিষয়টি সত্যতা যাচাই করার জন্য সরেজমিনে আসেন তদন্তের সময় স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বার, স্থানীয় জনগন ছিলেন। তদন্তে চেয়ারম্যান, মেম্বার ও স্থানীয় লোকজনের মৌখিক ও লিখিত বক্তব্যে পুরাতন ঘর মেরামতের আলামত ফুটে উঠে। এতে বন অফিসের কর্মকর্তারা বুঝতে পারেন নিউজটি মূলত ষড়যন্ত্র। প্রতিবাদকারী রফিক মাস্টারের সকল রেকর্ডীয় কাগজপত্র, দখলীয় ভূমির ২০২৫ সাল পর্যন্ত খাজনার মূল কপি বন কর্মকর্তাকে দেখানো হয়। আদি পুরুষদের কাল থেকে ঘর-বাড়ি দোকান-পাট নির্মান করে ভোগ দললে আছে। জরাজীর্ণ দোকান-পাট, ঘর-বাড়ি সময় সময় মেরামত করে। অচিরেই ভূল গেজেটটি অবমুক্তি হবে। আমরা সকলে আলোকিত নিউজের প্রতিবাদ জানাই ও তীব্র নিন্দা জানানো হয়।

 

জমির তফসিল পরিচয়:
সি.এস- বি/৪১১, দাগ নং- ৬৭৫, এস.এ খতিয়ান -১৯১, দাগ নং- ৬৭৫, আর.এস খতিয়ান- ৯০১, ৯০০, দাগ নং – ২৫৯৬, ২৫৯৭, ২৫৯৮, ২৫৮৯, ২৫৯১।

 

প্রতিবাদকারী
রফিকুল ইসলাম মাস্টার