প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ


Admin   প্রকাশিত হয়েছেঃ   ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০

বন কর্মকর্তাদের সাথে মিথ্যা অভিযোগে স্কুলশিক্ষককে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন রফিকুল ইসলাম মাস্টার।

“গাজীপুরের ভবানীপুর বিটে ৮কোটি টাকার বনভূমি দখল” গত [১১ আগস্ট ২০২০] “গাজীপুরে দখল বাণিজ্য : ফরেস্টার আরিফ ধরাছোঁয়ার বাইরে” শিরোনামে গত [১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০] অনলাইন নিউজ পোর্টাল “আলোকিত নিউজ” ডটকমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। গাজীপুর সদর (জয়দেবপুর) থানার বানিয়ারচালা (বাঘের বাজার) এলাকার মৃত আলহাজ্ব সাইজ উদ্দিনের সন্তান রফিকুল ইসলাম মাস্টার। তার দাবি আলোকিত নিউজ এর প্রতিবেদককে ভুল তথ্য দিয়ে উনার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। উনার স্বাক্ষরিত কাগজে তিনি প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, গাজীপুরের মাহনা-ভবানীপুর মৌজার তফসিল অনুযায়ী সি.এস- বি/৪১১, দাগ নং- ৬৭৫, এস.এ খতিয়ান -১৯১, দাগ নং- ৬৭৫, আর.এস খতিয়ান- ৯০১, ৯০০, দাগ নং – ২৫৯৬, ২৫৯৭, ২৫৯৮, ২৫৮৯, ২৫৯১। উক্ত তিনটি দাগে পৈত্রিক সূত্রে সম্পত্তির মালিক রফিকুল মাস্টার। উক্ত দাগে শত শত ঘর বাড়ি দোকান পাট ১০০ বছর পূর্বে থেকে স্থাপন করে আসছে। নতুন কোন ঘর বাড়ি দোকান পাট করা হয়নি। পূর্বের নির্মিত ঘর বাড়িগুলো মেরামত করা হয়, যা শত বছর আগে থেকে ভোগ দখলে আছে। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ইতিপূর্বে গেজেটমুক্ত করার জন্য জেলা প্রশাসক মহোদয়, এম.পি মহোদয়, মন্ত্রী মহোদয় সকলের সুপারিশ সহ প্রতিবেদন ভূমি মন্ত্রনালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। বন বিভাগের মিথ্যা মামলা ও অযথা হয়রানী থেকে পরিত্রান পাওয়ার জন্য এলাকার নিরীহ মানুষ অনেক প্রতিবাদ সভা ও সাংবাদিক সম্মেলন করেছে। পূর্বের দোকান-পাটের ছবি সংরক্ষন করা আছে প্রমাণ স্বরূপ। আমাদের জন্মের পরেও কোন খাস জমি দখল করার ইতিহাস আমাদের নেই। আমরা নিরীহ ও শান্তিপ্রিয় লোক। আমাদের একটি মামলা জজ কোর্টে চলমান আছে। আমি আদলতের আদেশ অমান্য করি নাই। আরো প্রকাশ আছে যে, গত ১২/০৮/২০২০ ইং তারিখ দুপুর ২টায় বন বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিউজের বিষয়টি সত্যতা যাচাই করার জন্য সরেজমিনে আসেন তদন্তের সময় স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বার, স্থানীয় জনগন ছিলেন। তদন্তে চেয়ারম্যান, মেম্বার ও স্থানীয় লোকজনের মৌখিক ও লিখিত বক্তব্যে পুরাতন ঘর মেরামতের আলামত ফুটে উঠে। এতে বন অফিসের কর্মকর্তারা বুঝতে পারেন নিউজটি মূলত ষড়যন্ত্র। প্রতিবাদকারী রফিক মাস্টারের সকল রেকর্ডীয় কাগজপত্র, দখলীয় ভূমির (বাংলা ১৪২৫) সাল পর্যন্ত খাজনার মূল কপি বন কর্মকর্তাকে দেখানো হয়। আদি পুরুষদের কাল থেকে ঘর-বাড়ি দোকান-পাট নির্মান করে ভোগ দললে আছে। জরাজীর্ণ দোকান-পাট, ঘর-বাড়ি সময় সময় মেরামত করে। অচিরেই ভূল গেজেটটি অবমুক্তি হবে। আমি আলোকিত নিউজের প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী
রফিকুল ইসলাম মাস্টার