শ্রীপুরে কোচিং বাণিজ্যের শপিংমল


Admin   প্রকাশিত হয়েছেঃ   ৪ এপ্রিল, ২০২১

এস এম জহিরুল ইসলাম, গাজীপুর: করোনা মহামারির কারণে দেশে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ কোচিং ও প্রাইভেট পড়ানো বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অথচ গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় এই নির্দেশ অমান্য করে চলছে কিছু প্রাইভেট-কোচিং বাণিজ্য। কয়েকজন শিক্ষক তাদের বাসা অথবা ভাড়া করা কক্ষে ব্যাচ করে একসঙ্গে ৫০ থেকে ৬০ জন শিক্ষার্থীকে গাদাগাদি করে বসিয়ে এ কার্যক্রম চালাচ্ছেন।

উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের যোগিরছিট উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় অষ্টম শ্রেণি থেকে এসএসসি পরীক্ষার্থী প্রায় শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে গাদাগাদি করে গণিতের কোচিং করাচ্ছেন ওই বিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগের শিক্ষক নাজমুল মামুন। চলমান করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষক ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে দেখা যায়নি। ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাই ও নাজমুল মামুন প্রথমদিকে অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে প্রাইভেট পড়ানোর এ কথা স্বীকার করেন। বিদ্যালয়ের কার্যক্রম খোলা থাকলেও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে দেখা যায়নি।

অভিযোগ আাছে, স্থানীয়রা এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলেও ওই শিক্ষকরা তা কানে তুলছেন না। শ্রীপুর উপজেলা ও পৌরশহরসহ  বেশ কয়েকটি এলাকায় অনেকটা প্রকাশ্যেই এ প্রাইভেট বাণিজ্য চলছে। অনেক শিক্ষক শিক্ষার্থীদের তাদের বাসায় প্রবেশ করিয়ে প্রধান দরজা বন্ধ করে পড়াচ্ছেন। নানা কৌশলে প্রশাসনের নজরদারি এড়িয়ে নির্ভয়ে প্রাইভেট বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন।

খোঁজনিয়ে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন সরকারি ও নামিদামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরাও প্রাইভেট বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত। প্রাইভেট ও কোচিং নিষিদ্ধ করার পর বেশ কিছুদিন তারা পড়ানো বন্ধ রেখেছিলেন। কিন্তু তারা আবারও আগের মতোই প্রায় প্রকাশ্যেই প্রাইভেট বাণিজ্য শুরু করেছেন।

শ্রীপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ নুরুল আমিন জানান, ‘কোচিং বাণিজ্যের বিরুদ্ধে সরকারি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। শুধুতাই নয়, করোনার কারণেও রয়েছে বিশেষ কিছু নিষেধাজ্ঞা। প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলে তিনি বিস্তারিত পরে জানাবেন।